Bangladesh ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফ্লেভার এগ্রো- Flavor Agro” এর আয়োজনে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা ১২০ জন উদ্যোক্তা নিয়ে একটি কৃষি কর্মশালার আয়োজন করেন দেবিদ্বারের বড়শালঘর ইউএমএ উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি হতে আওয়ামী লীগ নেতার দৌড়ঝাঁপ মুরাদনগরে জীবিত তরুণীকে ‘মৃত’ সাজিয়ে মৃত্যু সনদ, অভিযুক্ত ইউপি সদস্য সংরক্ষিত আসনে আলোচনায় বিএনপির যেসব মহিলা নেত্রীরা কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন কড়াইবাড়ি থেকে হায়দরাবাদ সড়কের প্রবেশ মুখে মরণফাদ ব্রিজ। মার্কিন বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কনে আঘাত হানল ইরানি ড্রোন কুমিল্লার বাঙ্গরা থানার রামচন্দ্রপুর থেকে ৫০ পিছ ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১ কুমিল্লায় ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেফতার নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি, খোঁজ নিয়ে উপহার পাঠালেন মন্ত্রী কায়কোবাদ

জাবিতে মুজিব পরিবারের নাম মুছে ফেললেন শিক্ষার্থীরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৪:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / ১৫৬৫৬৫ বার পড়া হয়েছে

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) আবাসিক হলসহ বিভিন্ন স্থাপনা থেকে মুজিব পরিবারের নাম মুছে ফেলেছেন শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা এলাকা থেকে একটি মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের দিকে যান। পরে ইনস্টিটিউটটির সামনে থাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল ও শেখ হাসিনা হলের সামনে শেখ হাসিনার ম্যুরাল ভেঙে ফেলেন তারা। এ ছাড়া আল-বেরুনি হলের সামনে দেওয়ালের শেখ মুজিবুর রহমানে গ্রাফিতি মুছে ফেলেন।

এরপর কিছু শিক্ষার্থী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের নামফলক ভাঙচুর করতে আসলে হলের কয়েকজন শিক্ষার্থী তাদের বাধা দেন। তারা জানান, তাদের হলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত তারা নেবেন। এর মধ্যে নামফলক ভাঙচুরের চেষ্টা করা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথাকাটাকাটি হয়। এরপর রাত ২টার দিকে শেখ মুজিবুর রহমান হলের শিক্ষার্থীরা নিজেদের সিদ্ধান্তে হলের নামফলক খুলে ফেলেন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ রাসেল হলের নাম পরিবর্তন করে ‘বিজয়-২৪’ নামকরণ করেছেন ও হলের শিক্ষার্থীরা।

জাহাঙ্গীরনগর সংস্কার আন্দোলনের আহ্বায়ক ইয়াহিয়া জিসান বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ভারতে বসে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন। আমরা এই ষড়যন্ত্র মেনে নেবো না। আমাদের দাবি, শেখ হাসিনাকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা এবং গণহত্যার দায়ে বিচার করা। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ও মুজিববাদের কোনো স্মৃতি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকবে না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নাজমুল ইসলাম বলেন, গণহত্যার দায়ে শেখ হাসিনাকে বিচারের আওতায় আনা উচিত। আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো জায়গায় কোনো ফ্যাসিস্টের চিহ্ন থাকতে পারে না। তাই শেখ হাসিনা ও মুজিবের সব স্মৃতিচিহ্ন মুছে ফেলেছি। এর মাধ্যমে আমরা বার্তা দিতে চাই যে, বাংলাদেশে আর কোনো ব্যক্তি পুঁজি করে ফ্যাসিস্ট কাঠামো গড়ে উঠতে না পারে।

মেহেরব হোসেন/এএমকে

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

SAYFUL SARKER

পরিচালক ও প্রকাশক দেশ আমার24 মুরাদনগর উপজেলা, কুমিল্লা। +60183576704

জাবিতে মুজিব পরিবারের নাম মুছে ফেললেন শিক্ষার্থীরা

আপডেট সময় : ০৭:৩৪:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) আবাসিক হলসহ বিভিন্ন স্থাপনা থেকে মুজিব পরিবারের নাম মুছে ফেলেছেন শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা এলাকা থেকে একটি মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের দিকে যান। পরে ইনস্টিটিউটটির সামনে থাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল ও শেখ হাসিনা হলের সামনে শেখ হাসিনার ম্যুরাল ভেঙে ফেলেন তারা। এ ছাড়া আল-বেরুনি হলের সামনে দেওয়ালের শেখ মুজিবুর রহমানে গ্রাফিতি মুছে ফেলেন।

এরপর কিছু শিক্ষার্থী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের নামফলক ভাঙচুর করতে আসলে হলের কয়েকজন শিক্ষার্থী তাদের বাধা দেন। তারা জানান, তাদের হলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত তারা নেবেন। এর মধ্যে নামফলক ভাঙচুরের চেষ্টা করা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথাকাটাকাটি হয়। এরপর রাত ২টার দিকে শেখ মুজিবুর রহমান হলের শিক্ষার্থীরা নিজেদের সিদ্ধান্তে হলের নামফলক খুলে ফেলেন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ রাসেল হলের নাম পরিবর্তন করে ‘বিজয়-২৪’ নামকরণ করেছেন ও হলের শিক্ষার্থীরা।

জাহাঙ্গীরনগর সংস্কার আন্দোলনের আহ্বায়ক ইয়াহিয়া জিসান বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ভারতে বসে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন। আমরা এই ষড়যন্ত্র মেনে নেবো না। আমাদের দাবি, শেখ হাসিনাকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা এবং গণহত্যার দায়ে বিচার করা। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ও মুজিববাদের কোনো স্মৃতি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকবে না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নাজমুল ইসলাম বলেন, গণহত্যার দায়ে শেখ হাসিনাকে বিচারের আওতায় আনা উচিত। আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো জায়গায় কোনো ফ্যাসিস্টের চিহ্ন থাকতে পারে না। তাই শেখ হাসিনা ও মুজিবের সব স্মৃতিচিহ্ন মুছে ফেলেছি। এর মাধ্যমে আমরা বার্তা দিতে চাই যে, বাংলাদেশে আর কোনো ব্যক্তি পুঁজি করে ফ্যাসিস্ট কাঠামো গড়ে উঠতে না পারে।

মেহেরব হোসেন/এএমকে