Bangladesh ০৫:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুমিল্লা বাঙ্গরা, আন্দিকুট কমিউনিটি হেলথ এন্ড ওয়েলনেস ক্যাম্প ২০২৬-এর ফ্রী চিকিৎসা কার্যক্রম ও দ্বিতীয় ক্যাম্পেইন সফলভাবে সম্পন্ন পবিত্র মক্কা-মদিনার ওপর হামলার চেষ্টা করা হলে বিশ্ব মুসলিম ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলবে ইনশাআল্লাহ —ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ মুরাদনগরে মিছিলের প্রস্তুতি, নিষিদ্ধ সংগঠনের ১৫ সদস্য গ্রেপ্তার আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের সংবর্ধনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী উপজেলার বাবুটিপাড়া ইউনিয়নের দড়ানীপাড়ায় ফুফু ও ভাতিজা খুনের ঘটনা ঘটে। জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করলেন ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ আজ বাঙ্গরা বাজার থানা সমিতির নির্বাচন আব্দুল মোমেন-আবির- বিল্লাল নিরঙ্কুশ জয়ের সম্ভাবনা বাঙ্গরায় ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদের সুস্থতা কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত বাঙ্গরা উপজেলা প্রেস ক্লাবের নতুন কমিটি গঠন: সাংবাদিকদের ঐক্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার অঙ্গীকার ফ্লেভার এগ্রো- Flavor Agro” এর আয়োজনে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা ১২০ জন উদ্যোক্তা নিয়ে একটি কৃষি কর্মশালার আয়োজন করেন

মানুষ জড়ো করে ‘ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’—এটা গণতন্ত্র নয়: মির্জা ফখরুল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩২:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৫৬৪৯৩ বার পড়া হয়েছে

মানুষ জড়ো করে ‘ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’—এটা গণতন্ত্র নয়: মির্জা ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক

দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্বার্থে ‘মব ভায়োলেন্স’ (উচ্ছৃঙ্খল জনতার সহিংসতা) থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘গণতন্ত্রের প্রধানতম কথা হচ্ছে, অন্যের মত সহ্য করতে হবে। আমি কথা বলব, আপনার কথা সহ্য করব না, পিটিয়ে দেব, মব ভায়োলেন্স তৈরি করব, কিছু মানুষ জড়ো করে বলব, “ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও, তাকে মেরে ফেলো পিটিয়ে”—এটা গণতন্ত্র নয়।’
রাজধানীর লেক শোর হোটেলে আজ বুধবার দুপুরে এক আলোচনা সভায় মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন। ‘চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে বিএনপি’ শীর্ষক সংকলিত গ্রন্থের প্রকাশনা উপলক্ষে এই সভার আয়োজন করা হয়। এর আগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র দেখানো হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘গণতন্ত্রের মূল কথাটা হচ্ছে, আমি তোমার সঙ্গে একমত হতে না পারি, কিন্তু তোমার মতপ্রকাশের যে স্বাধীনতা, তাকে আমি আমার জীবন দিয়ে হলেও রক্ষা করব। দুর্ভাগ্যক্রমে আমরা এখানে অন্যের মত সহ্য করতে চাই না, আমরা তাকে উড়িয়ে দিতে চাই। এই জায়গা থেকে আমাদের সরে আসতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে সত্যিকার অর্থেই যদি আমরা টেকসই একটা ব্যবস্থা তৈরি করতে চাই, ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হতে না চাই, তাহলে গণতন্ত্রকে আমাদের এখানে প্রতিপালন করতে হবে। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্মাণ করতে হবে। কোন দল জিতল, কে হারল—এটা জরুরি নয়। জরুরি হচ্ছে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানটা শক্তিশালী হলো কি না, আমাদের বিচারিক স্বাধীনতা আছে কি না, আমাদের গণমাধ্যম স্বাধীন কি না, আমাদের সংসদ কার্যকর কি না, আমাদের দেশে আইনের শাসনে চলছে কি না, সুশাসন চলছে কি না, মানুষের সামাজিক মর্যাদা এবং মানবাধিকার আমরা রাখতে পারছি কি না এই বিষয়গুলো নিয়েই আমাদের ভবিষ্যতে কাজ করতে হবে।’
গণতন্ত্র মোর্চা তৈরির আহ্বান জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘নির্বাচন আসছে। বিএনপির ওপর দায়িত্ব বেশি পড়েছে। বিএনপিকে সত্যিকার অর্থেই এমন একটা মোর্চা গড়ে তুলতে হবে, যা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছে অতীতে, লড়াই করবে এবং গণতন্ত্রকে এখানে প্রতিষ্ঠানিক রূপ দেবে। এমন মোর্চাই আমাদের গড়তে হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

SAYFUL SARKER

পরিচালক ও প্রকাশক দেশ আমার24 মুরাদনগর উপজেলা, কুমিল্লা। +60183576704

মানুষ জড়ো করে ‘ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’—এটা গণতন্ত্র নয়: মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় : ০৬:৩২:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

মানুষ জড়ো করে ‘ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’—এটা গণতন্ত্র নয়: মির্জা ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক

দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্বার্থে ‘মব ভায়োলেন্স’ (উচ্ছৃঙ্খল জনতার সহিংসতা) থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘গণতন্ত্রের প্রধানতম কথা হচ্ছে, অন্যের মত সহ্য করতে হবে। আমি কথা বলব, আপনার কথা সহ্য করব না, পিটিয়ে দেব, মব ভায়োলেন্স তৈরি করব, কিছু মানুষ জড়ো করে বলব, “ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও, তাকে মেরে ফেলো পিটিয়ে”—এটা গণতন্ত্র নয়।’
রাজধানীর লেক শোর হোটেলে আজ বুধবার দুপুরে এক আলোচনা সভায় মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন। ‘চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে বিএনপি’ শীর্ষক সংকলিত গ্রন্থের প্রকাশনা উপলক্ষে এই সভার আয়োজন করা হয়। এর আগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র দেখানো হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘গণতন্ত্রের মূল কথাটা হচ্ছে, আমি তোমার সঙ্গে একমত হতে না পারি, কিন্তু তোমার মতপ্রকাশের যে স্বাধীনতা, তাকে আমি আমার জীবন দিয়ে হলেও রক্ষা করব। দুর্ভাগ্যক্রমে আমরা এখানে অন্যের মত সহ্য করতে চাই না, আমরা তাকে উড়িয়ে দিতে চাই। এই জায়গা থেকে আমাদের সরে আসতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে সত্যিকার অর্থেই যদি আমরা টেকসই একটা ব্যবস্থা তৈরি করতে চাই, ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হতে না চাই, তাহলে গণতন্ত্রকে আমাদের এখানে প্রতিপালন করতে হবে। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্মাণ করতে হবে। কোন দল জিতল, কে হারল—এটা জরুরি নয়। জরুরি হচ্ছে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানটা শক্তিশালী হলো কি না, আমাদের বিচারিক স্বাধীনতা আছে কি না, আমাদের গণমাধ্যম স্বাধীন কি না, আমাদের সংসদ কার্যকর কি না, আমাদের দেশে আইনের শাসনে চলছে কি না, সুশাসন চলছে কি না, মানুষের সামাজিক মর্যাদা এবং মানবাধিকার আমরা রাখতে পারছি কি না এই বিষয়গুলো নিয়েই আমাদের ভবিষ্যতে কাজ করতে হবে।’
গণতন্ত্র মোর্চা তৈরির আহ্বান জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘নির্বাচন আসছে। বিএনপির ওপর দায়িত্ব বেশি পড়েছে। বিএনপিকে সত্যিকার অর্থেই এমন একটা মোর্চা গড়ে তুলতে হবে, যা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছে অতীতে, লড়াই করবে এবং গণতন্ত্রকে এখানে প্রতিষ্ঠানিক রূপ দেবে। এমন মোর্চাই আমাদের গড়তে হবে।’