Bangladesh ০৬:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফ্লেভার এগ্রো- Flavor Agro” এর আয়োজনে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা ১২০ জন উদ্যোক্তা নিয়ে একটি কৃষি কর্মশালার আয়োজন করেন দেবিদ্বারের বড়শালঘর ইউএমএ উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি হতে আওয়ামী লীগ নেতার দৌড়ঝাঁপ মুরাদনগরে জীবিত তরুণীকে ‘মৃত’ সাজিয়ে মৃত্যু সনদ, অভিযুক্ত ইউপি সদস্য সংরক্ষিত আসনে আলোচনায় বিএনপির যেসব মহিলা নেত্রীরা কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন কড়াইবাড়ি থেকে হায়দরাবাদ সড়কের প্রবেশ মুখে মরণফাদ ব্রিজ। মার্কিন বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কনে আঘাত হানল ইরানি ড্রোন কুমিল্লার বাঙ্গরা থানার রামচন্দ্রপুর থেকে ৫০ পিছ ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১ কুমিল্লায় ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেফতার নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি, খোঁজ নিয়ে উপহার পাঠালেন মন্ত্রী কায়কোবাদ

হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘানিশিল্প

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২৬:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ১৫৭১৭৭ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের গ্রামীণ ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল গবাদিপশু-চালিত ঘানি তেল শিল্প। একসময় এই ঘানিতে সরিষা ও তিলসহ বিভিন্ন তেলবীজ থেকে উৎপাদিত খাঁটি তেল গ্রামীণ জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে পরিচিত ছিল। পরিবেশবান্ধব এবং স্বাস্থ্যসম্মত এই শিল্প গ্রামীণ অর্থনীতির একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করেছিল। তবে আধুনিক প্রযুক্তির প্রসার, মেশিনে তেলের সহজলভ্যতা এবং নতুন প্রজন্মের অনাগ্রহের কারণে ঘানি তেল শিল্প এখন বিলুপ্তির পথে।
দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার পাল্টাপুর ইউনিয়নের কাজল গ্রামের মো. আছিমুদ্দিন (৬৫) তার পৈতৃক সূত্রে ৩৫-৪০ বছর ধরে এ পেশায় নিয়োজিত। তার ভাষায়, একসময় প্রতিটি বাড়িতেই তেল ভাঙানোর প্রচলন ছিল। কাঠ দিয়ে তৈরি ঘানি মেশিন এক বছর ধরে ব্যবহার করা যায় এবং এটি তৈরি করতে প্রায় ৩ হাজার টাকা খরচ হয়। ৬ কেজি সরিষা থেকে ২ লিটার তেল এবং ৪ কেজি খৈল পাওয়া যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘানিশিল্প

আপডেট সময় : ০১:২৬:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৫

বাংলাদেশের গ্রামীণ ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল গবাদিপশু-চালিত ঘানি তেল শিল্প। একসময় এই ঘানিতে সরিষা ও তিলসহ বিভিন্ন তেলবীজ থেকে উৎপাদিত খাঁটি তেল গ্রামীণ জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে পরিচিত ছিল। পরিবেশবান্ধব এবং স্বাস্থ্যসম্মত এই শিল্প গ্রামীণ অর্থনীতির একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করেছিল। তবে আধুনিক প্রযুক্তির প্রসার, মেশিনে তেলের সহজলভ্যতা এবং নতুন প্রজন্মের অনাগ্রহের কারণে ঘানি তেল শিল্প এখন বিলুপ্তির পথে।
দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার পাল্টাপুর ইউনিয়নের কাজল গ্রামের মো. আছিমুদ্দিন (৬৫) তার পৈতৃক সূত্রে ৩৫-৪০ বছর ধরে এ পেশায় নিয়োজিত। তার ভাষায়, একসময় প্রতিটি বাড়িতেই তেল ভাঙানোর প্রচলন ছিল। কাঠ দিয়ে তৈরি ঘানি মেশিন এক বছর ধরে ব্যবহার করা যায় এবং এটি তৈরি করতে প্রায় ৩ হাজার টাকা খরচ হয়। ৬ কেজি সরিষা থেকে ২ লিটার তেল এবং ৪ কেজি খৈল পাওয়া যায়।